চাঁদের দাদুর ঘুড়ি

শুরুতে রহস্য চাঁদের আলোয় ঝলমল এক গ্রামে, ছোট্ট ঝিলমিল আকাশের দিকে তাকিয়ে বলে, “আমারও চাঁদের মতো ঘুড়ি চাই!” হঠাৎ তার জানালার পাশে এক কাঁপা কাঁপা কণ্ঠ, “ঘুড়ি বানাবো আমি!”

আগন্তুকের পরিচয় ঝিলমিল ঘুরে দাঁড়িয়ে দেখে, এক বুড়ো লোক দাঁড়িয়ে—গায়ের জামা চাঁদের ধুলোয় ঢাকা। তিনি বলেন, “আমি চাঁদের দাদু! স্বপ্নের ঘুড়ি বানাতে এসেছি।” ঝিলমিলের চোখ বিস্ময়ে বড় হয়ে ওঠে!

ঘুড়ির যাদু চাঁদের দাদু বাঁশি বাজাতেই, বাতাসে ঘুরঘুর করে রূপালি ঘুড়ি ভেসে ওঠে। ঘুড়ির গায়ে লুকানো তারা! “এই ঘুড়ি শুধু সাহসীদের জন্য,” বলেন দাদু। ঝিলমিল ধীরে ধীরে হাত বাড়ায়…

ভয় আর ভরসা ঘুড়ির সঙ্গে সঙ্গে ঝিলমিলও ভেসে ওঠে! মাটির নিচে ছোট হয়ে যায় গ্রাম, বাড়ি, মা… ঝিলমিল কাঁপে। চাঁদের দাদু মুচকি হেসে বলেন, “ভয় পেলে ঘুড়ি থেমে যাবে।”

তারার দেশে প্রবেশ ঘুড়ি উড়ে চলে এক তারাভরা পথে। সামনে ভাসছে সোনালি দরজা—তাতে লেখা, "শুধু সাহসী স্বপ্ন দেখাদের জন্য!" ঝিলমিল গলায় হাত রাখে, সাহস খুঁজে পায়, দরজায় ঠেলে দেয় হাত।

এক অলৌকিক আবিষ্কার দরজার ওপারে সে দেখে, এক বিশাল গ্রন্থাগার, প্রতিটা বই একেকটা স্বপ্ন! একটা বই খুলতেই মা’র হাসিমাখা মুখ, পাশে তার নিজের ছবি—“ঝিলমিল: যিনি একদিন আকাশ ছুঁয়েছিলেন।”

ফিরে আসা ও বীজ রোপণ ঝিলমিল চোখ মেলে দেখে, সে তার খাটে। জানালার ধারে বাঁশির শব্দ, আর বাতাসে ভেসে বেড়ায় রূপালি ঘুড়ির ছায়া। আজও সে জানে—স্বপ্ন দেখা মানে সাহস করা, আর সাহস মানেই... আকাশ ছোঁয়া।

তুই ফিরবি তো?