এই কল্পবিজ্ঞান গল্পে, ভাষাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়, এবং 'মন্ত্রময়ী' নামক নিষিদ্ধ ভাষার মাধ্যমে মরকত অন্ধকারের রহস্য উন্মোচন করে অরিন্দম তার বোন ঐশীকে উদ্ধার করে।

শব্দ তুফান

এই কল্পবিজ্ঞান গল্পে, ভাষাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়, এবং 'মন্ত্রময়ী' নামক নিষিদ্ধ ভাষার মাধ্যমে মরকত অন্ধকারের রহস্য উন্মোচন করে অরিন্দম তার বোন ঐশীকে উদ্ধার করে।

বছরটা ২১৪৭। পৃথিবীটা আর সেই পুরোনো পৃথিবী নেই। ভাষা এখন কেবল কথা বলার বা লেখালেখির মাধ্যম নয়, এটা একটা অস্ত্র। ভাবনাগুলোকে ফোকাস করতে পারলে, শব্দ দিয়ে একেবারে পাহাড় ধসিয়ে দেওয়া যায়, জল জ্বালাতে পারা যায়। বলা যেতে পারে, টেলিপ্যাথির আধুনিক ভার্সন। এ কারণেই, সরকার কড়া নজর রাখে সবার কথোপকথনের উপর। কিন্তু, আমার ছোটবেলায়, এই অবস্থা ছিল না। সেই সময়ের কথা মনে পড়ে, যেন একটা স্বপ্নের মতো লাগে। আমি অরিন্দম, অতীতের হারিয়ে যাওয়া ভাষা, ‘মন্ত্রময়ী’র একজন গোপন কর্মী।

‘মন্ত্রময়ী’ কোনো মৃত ভাষা নয়। এটা ছিল এক বিশেষ ধরনের ভাষা, যা চিন্তাধারাকে গোপন করে রাখতে পারতো। সরকারের কানে যাতে কোনো বিদ্রোহের সুর না পৌঁছয়, সেজন্যে এই ভাষা তখনকার সমাজে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু, এক রাতে সবকিছু পাল্টে গেল। ‘মরকত অন্ধকার’ নামের এক অদ্ভুত ঘটনায় পৃথিবীর চেহারা বদলে গেল। সেই রাতের পর থেকে, “মন্ত্রময়ী” নিষিদ্ধ হয়ে গেল। কারণ, সেই ভাষা ব্যবহার করেই নাকি, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল।

কিন্তু, আমার মনে কখনোই বিশ্বাস হয়নি এই কথায়। মরকত অন্ধকারের কথা মনে পড়ে শিউরে উঠি। সেই রাতের অদ্ভুত সবুজ আলো, আর তারপরেই পৃথিবীর সব শব্দ হঠাৎ থেমে যাওয়া – এসব যেন কাল্পনিক কাহিনী। আমার বোন, ঐশী, সেই রাতেই নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল। তাকে খুঁজে বের করাটাই হয়ে দাঁড়িয়েছিল আমার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য।

ভুতের বাংলা ছোট গল্প - ছবির কান্না: এক ভুতুড়ে লাইব্রেরি, অদ্ভুত বই, আর জমিদারদের অত্যাচারের গল্প -  এই রহস্যময় বাংলা ভুতের গল্পে পড়ুন কিভাবে এই ঐতিহাসিক সত্য উন্মোচন হয়। 

এক দিন, রাতের বেলায়, আমার ঘরে একটা গোপন বার্তা এল। একটি বিকৃত শব্দ, কিন্তু ‘মন্ত্রময়ী’তে সেই শব্দের অর্থ ‘সাহায্য চাই’। সেই শব্দটা ঐশীর কণ্ঠস্বরের মতোই মনে হল। আমার হৃৎপিণ্ডটা ক্ষণিকের জন্য থেমে গেল। ঐশী কি জীবিত? কিন্তু, সে কোথায় আছে? কীভাবে তাকে উদ্ধার করব?

এই প্রশ্নগুলো মাথায় নিয়ে সারারাত ঠিকমত ঘুমাতে পারলাম না। সকালে ঘুম থেকে উঠে সোজা চলে গেলাম ‘নিষিদ্ধ জোন’ এ। এটা সেই এলাকা, যেখানে মরকত অন্ধকারের পর ভাষাবিজ্ঞানীরা গবেষণা করছেন। এখানে ঢুকে পড়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, কিন্তু ঐশীর জন্যে এই ঝুঁকি নিতে আমি প্রস্তুত ছিলাম। 

নিষিদ্ধ জোনের প্রবেশদ্বারটা ছিল একটা বিশালা লোহার গেট। সেটা একটু খোলা ছিল, যেন কেউ ইচ্ছাকৃতভাবেই আমাকে ঢুকতে দিচ্ছে। সতর্কতার সঙ্গে পা ফেলে ভেতরে ঢুকলাম। ভেতরটা ছিল অন্ধকারময়। শুধু দূর থেকে একটা সবুজ আলোর ঝাপসা ছায়া দেখা যাচ্ছিল। সেই আলোর দিকেই এগিয়ে চললাম। পথটা ছিল খাঁড়াহাটি, চারপাশে ভাঙাচুঁড়া গ্যালারি আর পরিত্যক্ত ল্যাবের ধ্বংসাবশেষ। হঠাৎ, একটা আওয়াজ শুনে থমকে গেলাম। একটা গুনগুন শব্দ, যেন কেউ গান গাইছে, কিন্তু শব্দগুলো বোঝা যাচ্ছে না।

আস্তে আস্তে সবুজ আলোর কাছাকাছি পৌঁছলাম। সেখানে একটা গম্বুজাকৃতির কাচের ঘর দেখলাম। ভেতরে কেউ একজন দাঁড়িয়ে ছিল। সে ঐশী! কিন্তু, ওর চেহারা অনেক বদলে গেছে। ওর চোখ দুটো সবুজ আলোয় জ্বলজ্বল করছিল, আর ওর মুখ দিয়ে অদ্ভুত শব্দ বের হচ্ছিল।

“ঐশী!” চিৎকার করে উঠলাম। কিন্তু, ও কোনো সাড়া দিল না। কাচের ঘরে হাত দিলাম, কিন্তু সেটা অত্যন্ত শক্ত। হঠাৎ, ঐশী আমার দিকে তাকালো। ওর চোখের দৃষ্টিতে একটা অদ্ভুত বিষণ্নতা ফুটে উঠল।

“অরিন্দম,” একটা অস্পষ্ট কণ্ঠ আমার মাথার মধ্যে ভেসে উঠল। কিন্তু, কে বলছে বুঝতে পারলাম না। “আমি আর ঐশী নেই। আমি এখন শব্দ। মরকত অন্ধকারের শব্দ।”

আমার সারা গায়ে কাঁটা দাঁড়িয়ে গেল। শব্দ? কীভাবে? আমি কি পাগল হয়ে গেছি? ঐশীর কথাগুলো কীভাবে আমার মধ্যে ভেসে উঠল?

“আমি নিজেও জানি না,” ঐশীর শব্দটা আবার মাথার মধ্যে বাজলো। “মরকত অন্ধকার আমাকে বদলে দিয়েছে। এখন আমি ভাষা, শব্দ, আর এই কাচের ঘরে আটকে আছি।”

আমি নিজেই কিছু বুঝতে পারছিলাম না, “কীভাবে তোকে বাঁচাব?”

“মন্ত্রময়ী,” ঐশীর উত্তর এল। “মন্ত্রময়ীর শব্দ আমাকে মুক্ত করতে পারে। কিন্তু, ভাষাটা নিষিদ্ধ হয়ে গেছে।”

একটা ভয়ানক দ্বন্দ্বে পড়ে গেলাম। সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে মৃত্যুদণ্ড, কিন্তু ঐশীকে উদ্ধার করতে না পারলে জীবনটা অর্থহীন হয়ে যাবে।

“ঠিক আছে,” দৃঢ় স্বরে বললাম। “আমি মন্ত্রময়ী শিখব। তোকে বাঁচাবো, ঐশী।”

ঐশীর মুখে একটা হাসির আভাস দেখে মনে হল, একটা আশার সূত্র পেয়ে আমি ওখান থেকে বেরিয়ে পড়লাম।

নিষিদ্ধ জোন থেকে বেরিয়ে বুকটা দ্রুত গতিতে ধড়পড় করছিল। ঐশীর কথা আমার কানে ঘুরপাক খাচ্ছিল। মরকত অন্ধকারের রহস্য এবং ঐশীকে বাঁচানোর একমাত্র পথ হল মন্ত্রময়ী শেখা। কিন্তু, নিষিদ্ধ ভাষা কোথায় পাব? কার কাছে শিখব?

রহস্য-রোমাঞ্চ বাংলা ছোট গল্প - অজানা ছবির রহস্য: এই বাংলা গল্পটিতে রহস্য, রোমাঞ্চ ও পরিচয়ের খোঁজ মিশে আছে।  একটি হোর্ডিংয়ের ছবি সোহিনী ও অর্জুনকে অতীতের সাথে মুখোমুখি করে দেয়। রহস্যের জাল আরও জটিল হলে, তারা তাদের আসল পরিবারের খোঁজ পায়। এখানে ক্লিক করে সম্পূর্ণ বাংলা ছোট গল্পটি পড়ুন

এই প্রশ্ন নিয়ে কয়েকদিন ধরে ঘুরে বেড়ালাম। শেষে, শহরের এক নিচু স্তরে, পুরোনো বইয়ের একটা দোকান খুঁজে পেলাম। দোকানদার, এক বৃদ্ধ লোক, আমার কথা শুনে চমকে গেলেন।

“মন্ত্রময়ী?” তিনি কাঁপা কণ্ঠে বললেন। “এটা খুবই বিপজ্জনক বাবু।”

“আমার আর কোনো উপায় নেই,” জোর দিয়ে বললাম। “আমার বোনকে বাঁচাতে হবে।”

বৃদ্ধ লোকটা কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন, তারপর একটা লুকানো ঘরে গিয়ে একটি পুরোনো বাক্স নিয়ে ফিরে এলেন। বাক্সটা খুললে, দেখলাম ভঙ্গুর কাগজে লেখা অদ্ভুত চিহ্ন।

“এই হল মন্ত্রময়ীর বর্ণমালা,” বৃদ্ধ লোকটা ফিসফিসিয়ে বললেন। “এটা খুবই গোপনীয়। সরকারের কানে যদি পৌঁছয়, তাহলে আপনার আর আমার – “

কথাটা শেষ না করেই তিনি হাতটা কণ্ঠনাতে দিলেন। আমি মাথা কুঁড়িয়ে সম্মতি জানালাম।

পরের কয়েক সপ্তাহ ধরে, রাতের বেলায় বদ্ধ ঘরে বসে মন্ত্রময়ী শেখা শুরু করলাম। চিহ্নগুলো কঠিন ছিল, কিন্তু ঐশীর মুক্তির আশায় সেই কঠিনতাও সহ্য হয়ে গেল। কিছুদিনের মধ্যেই মন্ত্রময়ীর মূলনীতিগুলো বুঝতে শুরু করলাম। এটা শুধু ভাষা নয়, এটা চিন্তাধারাকে কাজে লাগানোর একটা পদ্ধতি। মনের ভাবনাগুলোকে শব্দে রূপ দেওয়ার মাধ্যমে বাস্তবিক জগতেও পরিবর্তন আনা যায় – এটাই ছিল মন্ত্রময়ীর মূল কথা।

অবশেষে, সেই দিন এল। নিষিদ্ধ জোনের দিকে রওনা হলাম। এইবার আমার সঙ্গে ছিল মন্ত্রময়ী। কাঁপা কাঁপা গলায় শব্দগুলো উচ্চারণ করলাম, ঐশীকে মুক্ত করার আকুতি জানিয়ে। কাচের ঘরের ভেতর আলো ঝলমল করতে লাগল। ঐশীর মুখে একটা অস্বাভাবিক দৃষ্টি ফুটে উঠল। তারপর, কাচের ঘরটা আলোর ঝলকানিতে বিলীন হয়ে গেল।

আমি চারপাশে তাকালাম। ঐশী কোথায়? হঠাৎ, আমার হাতে একটা গরম

অনুভূতি হল। নিচে তাকিয়ে দেখলাম, একটা ক্ষুদ্র, সবুজ পাখি আমার হাতে বসে আছে। পাখির চোখ দুটো ঐশীর চোখের মতোই সবুজ পাখিটা আমার হাতে বসে ঠোঁট নাড়ল। মন্ত্রময়ীর মাধ্যমে আমি বুঝতে পারলাম, ও ঐশীই। মরকত অন্ধকারের প্রভাবে ওর শরীরটা বদলে গেছে, কিন্তু তার মনটা এখনো অক্ষত।

হঠাৎ, আকাশে একটা বিশাল জাহাজের শব্দ শুনতে পেলাম। জাহাজটা সরকারি নিরাপত্তা বাহিনীর, নিষিদ্ধ জোনে ঢুকে পড়েছে। আমি বুঝতে পারলাম, তারা সম্ভবত আমার মন্ত্রময়ী ব্যবহারের সন্ধান পেয়েছে।

পাখিটাকে আমার কাঁধে রেখে দৌড় দিয়ে পালানোর চেষ্টা করলাম। কিন্তু, নিষিদ্ধ জোনের জটিল পথে পথে আমি আটকে পড়লাম। আর ঠিক সেই সময়, কয়েকজন নিরাপত্তা কর্মী আমাকে ঘিরে ফেলল।

“হাত উঁচু করুন,” ঠান্ডা গলায় বলল ওদের চিফ।

আমি নিরুপায় হয়ে হাত উঁচু করলাম। মনে মনে মন্ত্রময়ী শব্দগুলো জপ করতে লাগলাম। নিরাপত্তা কর্মীরা আমাকে জাহাজে তুলল।

জাহাজের ভেতরে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হল। তারা জানতে চাইল নিষিদ্ধ জোনে ঢোকার কারণ, মন্ত্রময়ী শেখার কথা। নিরাপত্তা প্রধান, এক কঠোর চেহারার মহিলা, আমাকে হুমকি দিয়ে জবানবন্দি আদায়ের চেষ্টা করলেন। কিন্তু, আমি একটুও নড়চড়ালাম না। ঐশীকে বাঁচানোর দৃঢ়তা আমাকে সাহস জোগালো।

হঠাৎ, আমার কাঁধে বসে থাকা সবুজ পাখিটা উড়ে গেল। নিরাপত্তা কর্মীরা চমকে উঠল। পাখিটা জাহাজের কন্ট্রোল রুমের দিকে উড়ে গেল। আমি মনে মনে মন্ত্রময়ী শব্দগুলো ব্যবহার করে পাখিকে নির্দেশ দিলাম।

কন্ট্রোল রুমের কম্পিউটার স্ক্রিনে হঠাৎ অদ্ভুত চিহ্ন দেখা দিল। সেই চিহ্নগুলো মন্ত্রময়ী ভাষার। পাখিটা শব্দগুলোর মাধ্যমে জাহাজের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।

বাংলা রোমান্টিক ছোট গল্প - হৃদয়ের সন্ধানে: একদিন এক পাত্র পাত্রী সন্ধানের অফিস-এ একজনের অদ্ভুদ রিকোয়েস্ট আসে। অভিজিৎ ও রূপসা সেই অদ্ভুদ রহস্যের উন্মোচনের জন্য রিয়ার সাথে দেখা করে, জ্যানেট পারে আকাশ ও রিয়ার অতীতের ভালোবাসার গল্প। রিয়া কি আকাশকে খুঁজে পাবে? জানতে হলে পড়ুন রোমান্টিক বাংলা ছোট গল্প, "হৃদয়ের সন্ধানে"।

কন্ট্রোল রুমে হৈ চৈ শুরু হয়ে গেল। নিরাপত্তা কর্মীরা এমন কিছু দেখেননি আগে। আমি এই সুযোগে নিজের হাত বাঁধন খুলে পালানোর চেষ্টা করলাম। ঠিক সেই সময়, নিরাপত্তা প্রধান এসে আমাকে আটকালেন।

“কী করছেন?” চিৎকার করে উঠলেন তিনি।

“এই ভাষা নিষিদ্ধ করার কোনো মানে নেই,” জোর দিয়ে বললাম। “এটা আমাদের ঐক্য, আমাদের শক্তি।”

এর মধ্যে, জাহাজটা হঠাৎ নিচের দিকে নামতে শুরু করল। কন্ট্রোল রুম থেকে কোনো নিয়ন্ত্রণ নেওয়া যাচ্ছিল না। নিরাপত্তা প্রধান আমার দিকে চেয়ে থাকলেন, তার চোখে অবাক চাহুনি।

জাহাজটা দ্রুত গতিতে পৃথিবীর নিম্ন বায়ুমন্ডলে নামছিল। ভেতরে চিৎকার আর হৈ চৈ পড়ে গেছে। কিন্তু, আমি একটুও ভয় পেলাম না। জানতাম, ঐশী, অর্থাৎ সবুজ পাখিটা, জাহাজটা নিরাপদে নামাবে।

ঠিক সেই সময়, কন্ট্রোল রুমের দরজা খুলে গেল। নিরাপত্তা প্রধান আমার দিকে এগিয়ে এলেন। তার চেহারায় আর কঠোরতা ছিল না, বরং চিন্তা আর বিভ্রমের ছায়া।

“আপনি কীভাবে এটা করলেন?” তিনি কাঁপা কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করলেন।

“মন্ত্রময়ী,” আমি সংক্ষেপে জবাব দিলাম। “এটা ভাষা নয়, এটা একটা শক্তি।”

জাহাজটা আস্তে আস্তে একটি নির্জন মরু এলাকায় নামল। নিরাপত্তা বাহিনী আমাকে আর জিজ্ঞাসাবাদ করল না। সবাই চুপচাপ জাহাজ থেকে নামল।

আমি নিজের কাঁধে হাত দিলাম। সবুজ পাখিটা আর ছিল না। কিন্তু, মনে মনে মন্ত্রময়ী শব্দগুলো বলার সাথে সাথে, আমার পাশেই একটা সুন্দরী তরুণী দেখা দিল।

“ঐশী!” চমকে গিয়ে চিৎকার করে উঠলাম।

ঐশী হাসল। “আমি ফিরে এলাম, অরিন্দম। মরকত অন্ধকারের শক্তি আমাকে বদলেছিল, কিন্তু মন্ত্রময়ী আমাকে আবার মানুষের রূপে ফিরিয়ে দিয়েছে।”

আমি ঐশীকে জড়িয়ে ধরলাম। বছরের পর বছর ধরে এই মুহূর্তের জন্যেই অপেক্ষা করছিলাম। নিরাপত্তা প্রধান আমাদের কাছে এলেন।

“আপনারা এই গোপন ভাষা জানেন,” তিনি গম্ভীর স্বরে বললেন। “এটা কি সরকারের জন্যো হুমকি?”

ঐশী মাথা নাড়লেন। “না, এটা আমাদের সবার জন্যে একটা সুযোগ। মন্ত্রময়ী শব্দের শক্তি ব্যবহার করে আমরা এই পৃথিবীকে আরও ভালো জায়গা বানাতে পারি।”

নিরাপত্তা প্রধান কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন, তারপর একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। “আপনারা ঠিক বলছেন। হয়তো এখনই সময় এসেছে, এই নিষেধাজ্ঞা তুলে দেওয়ার।”

এই কথায় আমার বুকে একটা আশার সূর্য জ্বলে উঠল। মন্ত্রময়ী নিষিদ্ধ থাকার দিন শেষ হয়েছে। এখন থেকে, এই শক্তি সবার কাজে লাগবে, এই পৃথিবীকে নিয়ে যাবে এক নতুন শান্তির পথে।

ঐশীর হাত ধরে সেই মরুভূমির মধ্যে দিয়ে হাঁটতে শুরু করলাম। সামনে দীর্ঘ পথ, কিন্তু মনে এক অপার আশা।

এই রকম চিত্তাকর্ষক বাংলা ছোট গল্প -এর আপডেট পেতে আমাদের WhatsApp চ্যানেল জয়েন করুন।

নতুন বাংলা ছোট গল্প

প্রতিদ্বন্দ্বী

মোটিভেশনাল বাংলা ছোট গল্প - প্রতিদ্বন্দ্বী, সত্য ঘটনা অবলম্বনে রচিত জীবন যুদ্ধের দুই যোদ্ধার একদিনের জীবন সংগ্রামের ঘটনা। সম্পুর্ন্য বাংলা অনুপ্রেরণামূলক ছোট গল্পটি পড়ুন।

মোটিভেশনাল বাংলা ছোট গল্প - প্রতিদ্বন্দ্বী, সত্য ঘটনা অবলম্বনে রচিত জীবন যুদ্ধের দুই যোদ্ধার একদিনের জীবন সংগ্রামের ঘটনা। সম্পুর্ন্য বাংলা অনুপ্রেরণামূলক ছোট গল্পটি পড়ুন।

সম্পুর্ন্য গল্পটি পড়ুন: প্রতিদ্বন্দ্বী

শেষ জমিদারের মেয়ে

ঐতিহাসিক কথাসাহিত্য গল্প: এক জমিদার কন্যার গল্প, যে জমিদারি প্রথার বিলুপ্তির পর নিজের পায়ে দাঁড়ায় এবং গ্রামের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ঐতিহাসিক কথাসাহিত্য গল্প: এক জমিদার কন্যার গল্প, যে জমিদারি প্রথার বিলুপ্তির পর নিজের পায়ে দাঁড়ায় এবং গ্রামের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সম্পুর্ন্য গল্পটি পড়ুন: শেষ জমিদারের মেয়ে

স্বপ্নের রূপে ঝঙ্কার

শিউলি, এক গ্রামের মেয়ে, তার অসাধারণ গানের প্রতিভা দিয়ে সকলকে মুগ্ধ করে। কিন্তু খ্যাতির পথে তাকে অতিক্রম করতে হয় অনেক বাধা। এই অনুপ্রেরণামূলক গল্পে দেখুন কীভাবে সে তার স্বপ্ন পূরণ করে এবং সকলের অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে।

সম্পুর্ন্য গল্পটি পড়ুন: স্বপ্নের রূপে ঝঙ্কার

Leave a Comment

অনুলিপি নিষিদ্ধ!