ময়ূরপঙ্খী রাজবাড়িতে রহস্য আর রণের এক অসাধারণ ঐতিহাসিক কথাসাহিত্য গল্প। রানী ক্ষমা, রাজকুমার বীরেন্দ্র, ষড়যন্ত্র, রক্তক্ষয় - সব মিলিয়ে এক অসাধারণ বাংলা গল্প।

ময়ূরপঙ্খী রাজবাড়ির রহস্য

ময়ূরপঙ্খী রাজবাড়িতে রহস্য আর রণের এক অসাধারণ ঐতিহাসিক কথাসাহিত্য গল্প। রানী ক্ষমা, রাজকুমার বীরেন্দ্র, ষড়যন্ত্র, রক্তক্ষয় - সব মিলিয়ে এক অসাধারণ বাংলা গল্প।

সূর্যোদয়ের রক্তিমা যখন ধীরে ধীরে পদ্মার বক্ষ বিছিয়ে দিচ্ছে, ঠিক তখনই রানী ক্ষমার উদ্বিগ্ন চোখ দুটি খুলে গেল। ময়ূরপঙ্খী রাজবাড়ির রানী হিসেবে তাঁর জীবনে শান্তি ছিলো ক্ষণস্থায়ী অতিথি। আজও কোনো অশনি গন্ধ আছে বাতাসে, বুঝতে পারছিলেন রানী। দূরে কোথাও যেন ঢাকঢোলের আওয়াজ আসছে, আর মাঝে মাঝে রাজকুমার বীরেন্দ্রের চিৎকার!

আঁতকে উঠে পড়লেন রানী ক্ষমা। রাজকুমার রাজপ্রাসাদের উত্তর দিকের নিষিদ্ধ কক্ষে আটকে পড়েছেন, এটা সকলেরই জানা। সেই কক্ষ খুলতে রাজার আজ্ঞা নেই, কারণ সেখানে লুকিয়ে আছে পূর্বপুরুষদের গোপন সম্পদ। কিন্তু আজ এই হৈ-হৈ কী?

রানী তাঁর সহচরী সোনাকে ডাকলেন, “সোনা, কী হচ্ছে? বীরেন্দ্রের কিছু হয়েছে নাকি?”

শ্বাসহীনা হয়ে ঘরে ঢুকলো সোনা, “রানীমা, বিপদ! পাহাড়ি জাতের কিছু লোক রাজবাড়ি ঘিরে ফেলেছে। রাজাকে বন্দী করেছে! বীরেন্দ্রকুমার নিজেকে নিষিদ্ধ কক্ষে বন্ধ করে দিয়েছেন, কিন্তু…”

রানী ক্ষমার কপালে চিন্তার কালোরেখা পড়লো, “কিন্তু কী?”

“কিন্তু ওরা নিষিদ্ধ কক্ষ খুলে ফেলতে চাইছে। রাজকুমারকে নিয়ে তাঁরা হয়তো…” সোনার গলা কেঁপে উঠলো।

রানী নিজের মাথাটা ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করলেন। পাহাড়ি জাতের লোকেরা তাঁদের রাজ্যের সীমানায় আক্রমণ আগের ঘটনা নয়। তবে রাজাকে বন্দী করা, একেবারে নতুন ঘটনা। এ নিশ্চয়ই কোনো বড়ো ষড়যন্ত্রের সূচনা। কিন্তু এই মুহূর্তে করণীয় কী?

রানী তাঁর সোনার গয়না পরতে শুরু করলেন। হাতে তলোয়ার নিলেন। চোখে জ্বলে উঠলো রাজকুমারীর মতো তেজ।

“সোনা,” রানী ক্ষমা কঠিন গলায় বললেন, “তুমি গিয়ে রানীবাড়ির সব নারীকে জড়ো করো। আমাদের স্বামী ও ছেলেরা যুদ্ধক্ষেত্রে, আমাদেরই এখন রাজবাড়ি রক্ষা করতে হবে।”

সোনা চমকে গেলো, তবে রানীর দৃঢ়তা দেখে আর কিছু বলতে পারলো না। রানী ক্ষমা তাঁর সৈন্যদের ডেকে পাঠালেন। রাজবাড়ির রক্ষাকবচ পরতে শুরু করলেন তাঁরা।

কিছুক্ষণের মধ্যেই রাজবাড়ির প্রাঙ্গণে নারীদের দল জড়ো হলো। তাঁরা সকলেই লাঠি, রাঁধুনির চাকি, এমনকী অগ্নিশিখা নিয়ে এসেছেন। রানী ক্ষমা তাঁদের সামনে দাঁড়িয়ে বললেন, “মা, বোন, আমাদের রাজা আজ বন্দী। পাহাড়ি দস্যুরা আমাদের রাজ্য লুঠ করতে এসেছে। কিন্তু আমরা, ময়ূরপঙ্খীর মেয়েরা, এমনিতে পরাজিত হই না! আমাদের স্বামীরা যুদ্ধক্ষেত্রে, তবে আমরা তাঁদের পিছনে দৃঢ় প্রাচীর হয়ে দাঁড়াব। রাজবাড়ি রক্ষা করব, রাজকুমারকে রক্ষা করব!”

রানীর কথা শুনে নারীদের চোখ জ্বলে উঠলো। রণধ্বনি তুললো তারা। রানী ক্ষমা তাঁদের দলকে ভাগ করে দিলেন। একদল রাজপ্রাসাদের দক্ষিণ দিকে অবস্থান নিল, আরেকদল উত্তর দিকে। রানী নিজে সোনাকে সঙ্গে নিয়ে নিষিদ্ধ কক্ষের কাছে গেলেন।

দূর থেকেই শোনা গেলো, ভারী দস্তুরের আঘাত নিষিদ্ধ কক্ষের দরজায়। রাজকুমার বীরেন্দ্রের চিৎকার ভেদ করে যাচ্ছে চারপাশ। রানী ক্ষমা দরজার ফাঁক দিয়ে দেখলেন, কয়েকজন পাহাড়ি যোদ্ধা দরজা ভাঙার চেষ্টা করছে।

“বীরেন্দ্র!” চিৎকার করে ডাকলেন রানী, “দরজা খোলো না! আমরা এসেছি!”

“মা!” ভেতর থেকে উত্তর দিলেন বীরেন্দ্র, “কিন্তু…”

“কোনো কিন্তু নেই! দরজা খোলো না!” রানী তাঁর সৈন্যদের নির্দেশ দিলেন, “দড়ি নিয়ে এসো!”

কয়েকজন সৈন্য দড়ি নিয়ে এলো। রানী নিজের হাতে দড়িটা ধরলেন।

“সোনা,” রানী বললেন, “তুমি আর নারীরা ওই পাশে থাকো। আমরা দরজা ভেতর থেকে খুলব।”

সোনা দ্বিধায় থাকলেন, কিন্তু রানীর আদেশ মান্যেই পিছিয়ে এলেন। দড়ি দিয়ে দরজা টানতে শুরু করলেন রানী ও তাঁর সৈন్యরা। ভিতর থেকেও টানতে শুরু করলেন বীরেন্দ্র।

অবশেষে দরজা এক ঝাঁকায় খুলে গেল। কিন্তু খোলার সঙ্গে সঙ্গে রানী ও তাঁর সৈন্যরা চমকে উঠলেন। নিষিদ্ধ কক্ষটি অন্ধকারাচ্ছন্ন ছিল, ঠিকই, কিন্তু সেখানে বীরেন্দ্র ছিলেন না! শুধু মেঝেয় পড়ে ছিল একটা রক্তাক্ত কাপড়ের টুকরো।

রক্তাক্ত কাপড়ের টুকরো দেখে রানী ক্ষমার রক্ত শির হয়ে গেল। ″বীরেন্দ্র!″ চিৎকার করে ডাকলেন তিনি, কিন্তু কোনো সাড়াশব্দ নেই। তাঁর চোখে জল এসে গেল, কিন্তু রাণী হয়ে জানতেন এখন নয় শোকের সময়। তাঁকে মাথা ঠান্ডা রেখে পরিস্থিতি সামলাতে হবে।

এদিকে, দূর থেকে পাহাড়ি দস্যুদের নেতা জগন্নাথ রাগে গর্জে উঠল, “কী হল? কেন দরজা খুলতে এত সময় লাগছে?”

“মহারাজ,” একজন দস্যু ঘাম পাথরা গায়ে এগিয়ে এল, “রাজকুমার নিখোঁজ! শুধু এক টুকরো কাপড় পাওয়া গেছে।”

জগন্নাথের চোখ দু’টি রাগে লাল হয়ে গেল। সে তো জানত রাজকুমার নিষিদ্ধ কক্ষে লুকিয়ে আছে। এখন সে নিখোঁজ? কোথায় গেল সে? আর এই রক্তাক্ত কাপড়?

রানী ক্ষমা তখন নিজেকে সামলে নিয়েছেন। তিনি জানতেন পাহাড়ি দস্যুরা বুদ্ধি করেছে। হয়তো বীরেন্দ্র কোনো গোপন পথ দিয়ে পালিয়ে গিয়েছেন। তিনি সোনাকে ডাকলেন, “সোনা, তুমি কি রাজকুমারকে আগে কোনো গোপন পথের কথা বলতে শুনেছো?”

সোনা চিন্তা করে বললেন, “রানীমা, একবার রাজকুমারের কাছে শুনেছিলাম, এই নিষিদ্ধ কক্ষের দেওয়ালে একটা গোপন দরজা আছে। তবে সেটা কোথায় এবং কোথায় যায়, সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই।”

আশার একটি সূতিকাগারী রানী ক্ষমার হাতে এল। তিনি নিজের সৈন্যদের নির্দেশ দিলেন, “নিষিদ্ধ কক্ষের দেওয়াল পরীক্ষা করো। কোনো গোপন দরজা আছে কিনা দেখো।”

সৈন্যরা মশাল জ্বালিয়ে দেওয়াল ঘষতে শুরু করল। কিছুক্ষণ পর, একজন সৈন্য উচ্চস্বরে বলল, “রানীমা, এখানে একটা পাথর একটু বেশি ঠাণ্ডা লাগছে!”

রানী ক্ষমা দৌড়ে গিয়ে দেখলেন, সত্যিই দেওয়ালের একটা পাথর অন্য পাথরের চেয়ে ঠাণ্ডা। চাপ দিবার সঙ্গে সঙ্গে সেটা একটু সরে গেল। ঠিক তখনই পাহাড়ি দস্যুরাও কাছে এসে ফেলল।

“কী করছো?” জিজ্ঞাসা করল জগন্নাথ।

রানী ক্ষমা তাঁর সৈন্যদের দিকে চেয়ে নির্দেশ দিলেন, “যুদ্ধ করো!”

এক জোরাল প্রতিরোধ গড়ে তুললেন রানী ও তাঁর সৈন্যরা। কিন্তু পাহাড়ি দস্যুরা সংখ্যায় বেশি ছিল। ধীরে ধীরে রানীদের পক্ষে দুঃসময় দেখা দিল। ঠিক তখনই, নিষিদ্ধ কক্ষের দেওয়ালের গোপন দরজা দিয়ে বেরিয়ে এলেন রাজকুমার বীরেন্দ্র!

হাতে তলোয়ার নিয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়লেন।

রাজকুমার বীরেন্দ্রের আকস্মিক আবির্ভাবে পাহাড়ি দস্যুরা কিছুটা হতবাক হয়ে গেল। তবে সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের সামলে নিয়ে তারাও রাজকুমারকে আক্রমণ করতে এগিয়ে এল। রণক্ষেত্রে রণধ্বনি আর চিৎকার মিশে গেল।

রানী ক্ষমা সোনাকে বললেন, “সোনা, নারীদের নিয়ে পালিয়ে যাও। রাজপ্রাসাদের পশ্চিম দিকের গোপন পথ দিয়ে পালিয়ে যাও। আমি রাজকুমারের সঙ্গে থাকব।”

কিন্তু সোনা রানীকে ছেড়ে যেতে রাজি হলেন না। তিনি জোর দিয়ে বললেন, “না, রানীমা, আমি আপনাকে ছেড়ে যেতে পারব না।”

রানী ক্ষমা কঠিন স্বরে বললেন, “এখন সময় নেই তর্কের। রাজবাড়ির মেয়েরা যদি না বাঁচে, তাহলে যুদ্ধ জিতেও লাভ নেই। তুমি যাও, নারীদের নিয়ে নিরাপদ জায়গায় পৌঁছে দাও।”

সোনা আর কথা না বাড়িয়ে নারীদের নিয়ে রাজপ্রাসাদের পশ্চিম দিকের গোপন পথ দিয়ে পালিয়ে যেতে শুরু করলেন। রানী ক্ষমা তলোয়ার হাতে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। তাঁর রণকৌশল এবং সাহস দেখে বীরেন্দ্র স্তম্ভিত হয়ে গেলেন।

যুদ্ধের একপর্যায়ে রানী ক্ষমা এক পাহাড়ি দস্যুরের তলোয়ারের আঘাতে মাথা কাটা খেলেন। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। রাজকুমার বীরেন্দ্র চিৎকার করে উঠলেন, “মা!” তিনি রানীর কাছে ছুটে গেলেন। কিন্তু ততক্ষণে রানীর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা হয়েছে।

রানী ক্ষমার মৃত্যুতে বীরেন্দ্র আরো বেশি রোষে এলেন। তিনি বাঘের মতো তেড়ে যাতে দস্যুদের আক্রমণ করতে লাগলেন। তাঁর রোষে দস্যুরা কিছুটা ভয়ে পিছিয়ে গেল।

ঠিক সেই সময় রাজবাড়ির সৈন্যদের সাহায্য নিয়ে হাজির হলেন রাজা। তিনি যুদ্ধে এসে দেখলেন রানী ক্ষমা মৃত্যুবরণ করেছেন। রাজার চোখ দু’টি জলে ভরে গেল। তিনি রাগে গর্জে উঠলেন, “আজকে এই ময়ূরপঙ্খী রাজ্যে ঢুকে তোমরা মারাত্মক ভুল করেছো!”

রাজার আক্রমণে আর সামাল দিতে পারল না পাহাড়ি দস্যুরা। জগন্নাথ বাধ্য হয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হল। যুদ্ধে জয় হল ময়ূরপঙ্খী রাজ্যের। কিন্তু এই জয়ের মধ্যে রানী ক্ষমার মৃত্যু শোকের ছায়া ফেলে দিল।

রানী ক্ষমার শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হল রাজकीय মর্যাদায়। রাজকুমার বীরেন্দ্র মা হারানোর শোকে মুষড়িয়ে পড়লেন। তবে তিনি মা রানী ক্ষমার শিক্ষা মনে রেখে শপথ নিলেন, তিনি আর কখনো ময়ূরপঙ্খী রাজ্যকে এই রকম বিপদের মধ্যে ফেলবেন না।

রানী ক্ষমার মৃত্যু শোক মরিচের মতো জ্বালা হয়ে বসে গেল সারা ময়ূরপঙ্খী রাজ্যে। রাজকুমার বীরেন্দ্রের বুকে জ্বলে উঠল প্রতিশোধের আগুন। কিন্তু রাণীর শেষ শিক্ষা মনে রেখে তিনি বুঝলেন, শুধু রোষ নিয়ে যুদ্ধ জেতা যায় না, দরকার কৌশল ও পরিকল্পনা।

এদিকে, পাহাড়ি দস্যু জগন্নাথ রাজ্যে ফিরে পরাজয়ের গল্প শোনালেন তার রাজাকে। রাজা জগন্নাথের অপমান ও ময়ূরপঙ্খীর সম্পদ লুঠ করার ব্যর্থতা তাকে ক্ষিপিয়ে তুলল। তিনি আরো বড় আक्रमণের পরিকল্পনা করতে লাগলেন।

এই গোয়েন্দা খবর পেয়ে বীরেন্দ্র বুঝতে পারলেন, যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি। তিনি যুদ্ধকৌশল ও রাজ্যের সুরক্ষা ব্যবস্থা নতুন করে গড়ে তুলতে লাগলেন। রানী ক্ষমার নির্দেশ মতো তিনি নিষিদ্ধ কক্ষের গোপন পথটি খুঁজে বের করলেন। পথটি ধরে গিয়ে দেখতে পেলেন, সেটি একটি গোপন অস্ত্রাগারে গিয়ে মিশেছে। এই অস্ত্রাগারের কথা রাজ পরিবারের কেউ জানতেন না। এটি ছিল রাজ্যের পূর্বপুরুষদের একটি গোপন রক্ষা।

অস্ত্রাগারে ঢুকে বীরেন্দ্র অবাক হয়ে গেলেন। সেখানে অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রের পাশাপাশি যুদ্ধ কৌশলের নিদর্শনাবধূল লিপি পাওয়া গেল। এই নতুন অস্ত্র ও কৌশলের সাহায্য নিয়ে বীরেন্দ্র রাজ্যের সৈন্যদের আরো শক্তিশালী করে তুললেন।

এর মধ্যে, পাহাড়ি রাজা আবার ময়ূরপঙ্খী রাজ্য আক্রমণ করলেন। কিন্তু এবার তিনি একেবারেই আশা করেননি, ময়ূরপঙ্খী সৈন্যরা তাঁদের চেয়ে বেশি সজ্জিত ও কৌশলে পারদর্শী হয়ে উঠবে। যুদ্ধে জগন্নাথের সৈন্যরা পরাজিত হল। জগন্নাথ নিজেও বীরেন্দ্রের হাতে নিহত হলেন।

যুদ্ধের পর ময়ূরপঙ্খী রাজ্যে জয়ধ্বনি উঠল। কিন্তু রানী ক্ষমার হাসি আর কখনো দেখা দেবে না, সেই শূন্যতা বীরেন্দ্রের বুকে চিরকাল থেকে যাবে। তবে তিনি মায়ের মৃত্যুর শোককে শক্তিতে পরিণত করেছিলেন। রানী ক্ষমার শেষ ইচ্ছাপূরণ করে তিনি রাজ্যকে আরো শক্তিশালী করে গড়ে তুললেন। ময়ূরপঙ্খী রাজ্যের ইতিহাসে রানী ক্ষমা রয়ে গেলেন এক সাহসী রানী হিসেবে, আর রাজকুমার বীরেন্দ্র, এক কৌশলী ও দৃঢ় রাজা হিসেবে।

এই রকম চিত্তাকর্ষক বাংলা ছোট গল্প -এর আপডেট পেতে আমাদের WhatsApp চ্যানেল জয়েন করুন।

নতুন বাংলা ছোট গল্প

প্রতিদ্বন্দ্বী

মোটিভেশনাল বাংলা ছোট গল্প - প্রতিদ্বন্দ্বী, সত্য ঘটনা অবলম্বনে রচিত জীবন যুদ্ধের দুই যোদ্ধার একদিনের জীবন সংগ্রামের ঘটনা। সম্পুর্ন্য বাংলা অনুপ্রেরণামূলক ছোট গল্পটি পড়ুন।

মোটিভেশনাল বাংলা ছোট গল্প - প্রতিদ্বন্দ্বী, সত্য ঘটনা অবলম্বনে রচিত জীবন যুদ্ধের দুই যোদ্ধার একদিনের জীবন সংগ্রামের ঘটনা। সম্পুর্ন্য বাংলা অনুপ্রেরণামূলক ছোট গল্পটি পড়ুন।

সম্পুর্ন্য গল্পটি পড়ুন: প্রতিদ্বন্দ্বী

শেষ জমিদারের মেয়ে

ঐতিহাসিক কথাসাহিত্য গল্প: এক জমিদার কন্যার গল্প, যে জমিদারি প্রথার বিলুপ্তির পর নিজের পায়ে দাঁড়ায় এবং গ্রামের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ঐতিহাসিক কথাসাহিত্য গল্প: এক জমিদার কন্যার গল্প, যে জমিদারি প্রথার বিলুপ্তির পর নিজের পায়ে দাঁড়ায় এবং গ্রামের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সম্পুর্ন্য গল্পটি পড়ুন: শেষ জমিদারের মেয়ে

স্বপ্নের রূপে ঝঙ্কার

শিউলি, এক গ্রামের মেয়ে, তার অসাধারণ গানের প্রতিভা দিয়ে সকলকে মুগ্ধ করে। কিন্তু খ্যাতির পথে তাকে অতিক্রম করতে হয় অনেক বাধা। এই অনুপ্রেরণামূলক গল্পে দেখুন কীভাবে সে তার স্বপ্ন পূরণ করে এবং সকলের অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে।

সম্পুর্ন্য গল্পটি পড়ুন: স্বপ্নের রূপে ঝঙ্কার

Leave a Comment

অনুলিপি নিষিদ্ধ!